আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় পাবনা জেলার বিখ্যাত খাবার. পাবনা-জেলা বাংলাদেশের ৮টি বিভাগের মধ্যে রাজশাহী বিভাগের অন্তর্গত ।
ময়মনসিংহ জেলা সর্ম্পকে কিছু তথ্যঃ-
বাংলাদেশে অবস্থিত পাবনা-জেলা রাজশাহী বিভাগের দক্ষিণ-পূর্ব কোণ সৃষ্টি করেছে। এটি ২৩°৪৮′ হতে ২৪°৪৭′ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯°০২′ হতে ৮৯°৫০′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশে অবস্থিত। এর উত্তর দিক ঘিরে আছে সিরাজগঞ্জ জেলা আর দক্ষিণে পদ্মা নদী একে রাজবাড়ী ও কুষ্টিয়া জেলা হতে পৃথক করেছে। এর পূর্ব প্রান্তদিয়ে যমুনা নদী বয়ে গেছে এবং পশ্চিমে নাটোর জেলা। পাব’নার আমিনপুর থানার দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্তে এসে পদ্মা ও যমুনা নদী পরস্পর মিলিত হয়েছে।

পাবনা জেলার বিখ্যাত খাবার:-
জলযোগের কলিজা সিঙ্গারা-চপ।
মধুমিতার ভুনা খিচুড়ি।
কাশমেরীর চিকেন গ্রীল-স্পেশাল নান।
বিরানী হাউজের চিকেন-কাচ্চি বিরিয়ানি-মুড়িঘণ্ট।
বনলতা কফি শপের ফালুদা।
শ্যামলের সিঙ্গারা-দই-ল্যাংচা-মালাইসর।
বনলতার ইরানীভোগ,গাজরের হালুয়া,দই,রসগোল্লা।
প্যারাডাইসের সকালের লুচি-সবজি,সব সময়ের জন্য দুধ-চা,রাজভোগ,লালমোহন,মায়াভোগ,রসমালাই,ছানার সন্দেশ,চানাচুর-বুন্দিয়া মিক্স।
চাটমোহরের অন্নপূর্ণা মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের রসমালাই।
অনন্ত মোড়ের মালাই রুটি,চা।
শাপলা হোটেলের দুপুরের ও রাতের বাংলা খাবার।
লক্ষ্মীর চমচম,ছানার সন্দেশ।
গোস্বামী কমপ্লেক্সের নীচতলায়(সেন্ট্রাল গার্লসেরর সামনে)/ফুডপাথের/রায়বাহাদুর গেটের সামনের কালাই রুটি আর হাঁসের মাংস।(নির্দিষ্ট কোনো জায়গা নাই,বিভিন্ন স্থানে পাওয়া যায়)
স্বাগতমের ফ্রাইড চিকেন,চাউমিন,বাংলা আইটেম।
চাইনিজ আইটেমের জন্য মিডনাইট।
রথঘরের দুধ চা।
রবিউল মার্কেটের সামনের ঝালমুড়ি।
টাউন গার্লসের সামনের ফুচকা,চটপটি।
ঈমাম গাজ্জালী স্কুলের পূর্বে,অনন্ত বাজারের মোড়ের ভাঙচুর।
অনন্ত বাজারের মোরের সিঙ্গারা-পুরী।
রূপকথা কাব্যের কফি,পেস্ট্রী,চিজ কেক।
এডওয়ার্ডের সামনের ঝালমুড়ি,ভিতরে ঢুকার পরেই ফুচকা।
বনলতা কফি শপের ক্যাসিউ-নাট-সালাদ।
শ্যামলের ঘি।
বনলতা কফি শপের নাচোস।
দীনা পার্লারের সামনের ভেলপুরী।
মাসালা জোনের চিকেন চাপ আর পরোটা।
খাবার বাড়ির হালুয়া,কেক।
বিরানী হাউজের সন্ধ্যার মোগলাই আর হালিম।
গাছপাড়া মোড়ে আলামিনের মালাই চা।
পাব’না বাসস্ট্যান্ডের সেতু হোটেলের কালাভূনা।
বনলতার পাটিসাপটা।
বকশীপুরের নলদার কুদ্দুসের পিয়াজী।
সাধুপাড়া স্কুলের সামনের মশলা পান।
দইবাজার মোড়ের তৃপ্তি দইঘরের দই।
আইন কলেজের সামনে মানিক ভাইয়ের চা।
পৈলানপুর মোড়ের ভাপাপিঠা,চিতই পিঠা,রসুনের বড়া,ধনিয়ার বড়া।(শীতকালে পাওয়া যায়।)

সোনাপট্টি মন্দিরের পিছে বেঙ্গল হোমিও হলের সামনের সিঙ্গারা।
স্বাগতমের চিকেন বিরিয়ানি।
মক্কা হোটেলের বিভিন্ন ভর্তা আইটেম।
রাজ হোটেলের সকালের পরোটা,নাস্তা,কলিজা রাতের শিক কাবাব।
ক্যাফে পাব’নার কোল্ড কফি।
স্ন্যাকস আওয়ারের ভুনা খিচুড়ী।
পিসিসিএসের বাংলা খাবার।
রত্নদ্বীপ রিসোর্টের রূপচাঁদা ফ্রাই।
রূপকথা কাব্যের কেক।
পাব’না মেন্টাল হসপিটালের পাশে মাসুদ মামার ডাবল হিটের চা।
হাজীর হাটের হাটবারে(মঙ্গলবার ও শুক্রবার) পাওয়া রাশেদুল ভাইয়ের গরুর মাংস আর গরুর পায়া।
কুলুনিয়ার চা।
জয়কালী বাড়ির উলটো পাশের দোকানের স্পেশাল চা,মালাই রুটি।
আরও পড়ুূনঃ

১ thought on “পাবনা জেলার বিখ্যাত খাবার”